• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৭ নভেম্বর ১৯৭৫ : আমার চোখে সিপাহি-জনতার বিপ্লব বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ভিইউ সাইফিউশন কৃষকের সার পাচার ও অপচয় ঠেকাতে নজরদারির আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর পবায় নিজ উদ্যোগে শতাধিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ শিশুর পুষ্টিই জাতির শক্তি,আমাদের করণীয় ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তানযীমুল উম্মাহর ৬ শিক্ষার্থীর ৯ পুরস্কার জেলা পুলিশের অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১৩তম সভা নগরীতে ৩০ লাখ টাকার বেশি বায়না দিয়েও ভূমিদস্যু অপপ্রচারের অভিযোগ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

অতিরিক্ত ফির প্রতিবাদে লংমার্চের ঘোষণা রাজশাহী কলেজ শিক্ষার্থীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
সর্বশেষ: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
অতিরিক্ত ফির প্রতিবাদে লংমার্চের ঘোষণা রাজশাহী কলেজ শিক্ষার্থীদের
অতিরিক্ত ফির প্রতিবাদে লংমার্চের ঘোষণা রাজশাহী কলেজ শিক্ষার্থীদের

অতিরিক্ত ফির প্রতিবাদে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক অফিস অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জিরোপয়েন্ট থেকে এই লংমার্চ শুরু হবে। রাজশাহী অঞ্চলের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সব কলেজের শিক্ষার্থীদের এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

Advertisements

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী কলেজ প্রশাসন ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা সমবেত হয়ে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এ সময় তারা সিন্ডিকেটের কালো হাত, ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও, শিক্ষার্থীদের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন, ভিসির বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন, এমন স্লোগানে রাজপথ মুখর করে তোলেন।

ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী নিশাত তাসনিম বলেন, বাংলাদেশের মোট শিক্ষার্থীর ৭০ শতাংশই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। অথচ মাথাপিছু বরাদ্দ মাত্র ৭৯৫ টাকা। অন্যদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সরকারকে ভ্যাট হিসেবে দিচ্ছে ১০০ কোটিরও বেশি টাকা। এত অল্প বরাদ্দে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা সম্ভব নয়। অথচ সংস্কারের নামে আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ফি। রেলে, বাসে সাধারণ শিক্ষার্থী ও দারোয়ানদের দিয়ে ফাইল টানাটানি করে খাতা দেখানো হচ্ছে। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধেই আমরা আন্দোলন করছি।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী হাফিজ সরকার বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে ফি বাড়িয়েছে, সে তুলনায় শিক্ষার মান বাড়েনি। শুধু ফি বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের রক্ত চোষার মতো আচরণ করা হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে লোকসান হতে পারে, কিন্তু শিক্ষার এই বাণিজ্যে কোনো লোকসান নেই। এখন মনে হচ্ছে এটি আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং জাতীয় বাণিজ্য বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে গেছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, তৃতীয় বর্ষে প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এই হিসেবে ফি বাবদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয় প্রায় ৫০ কোটি টাকা, অথচ কলেজগুলোতে প্রণোদনা হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে মাত্র ২০ কোটি টাকা। তাদের দাবি, ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবারের গড় মাসিক আয় মাত্র ১০ হাজার টাকা। এ অবস্থায় বাড়তি ফি দেওয়া অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়।


আরো খবর