• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৭ নভেম্বর ১৯৭৫ : আমার চোখে সিপাহি-জনতার বিপ্লব বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ভিইউ সাইফিউশন কৃষকের সার পাচার ও অপচয় ঠেকাতে নজরদারির আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর পবায় নিজ উদ্যোগে শতাধিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ শিশুর পুষ্টিই জাতির শক্তি,আমাদের করণীয় ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তানযীমুল উম্মাহর ৬ শিক্ষার্থীর ৯ পুরস্কার জেলা পুলিশের অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১৩তম সভা নগরীতে ৩০ লাখ টাকার বেশি বায়না দিয়েও ভূমিদস্যু অপপ্রচারের অভিযোগ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

নওগাঁয় জমির মালিকদের হাতে ভূমি অধিগ্রহণের চেক প্রদান

নওগাঁ প্রতিনিধি
সর্বশেষ: বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নওগাঁয় জমির মালিকদের হাতে ভূমি অধিগ্রহণের চেক প্রদান
নওগাঁয় জমির মালিকদের হাতে ভূমি অধিগ্রহণের চেক প্রদান

নওগাঁয় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সম্পত্তি অধিগ্রহণ বাবদ ক্ষতিপূরণের চেক জমির মালিকদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল এই চেকগুলো জমির মালিকদের হাতে তুলে দেন। এদিন জেলার মহাদেবপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ও দোহালী মৌজায় আত্রাই ব্রীজের এপ্রোচ একসেস সড়ক নির্মাণের জন্য উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের ধনপতি সরকারের ছেলে সুধৃতি কুমার সরকারের হাতে গাছপালা মূল্য বাবদ ১৯ হাজার ৫০২ টাকা ও জমির মূল্য বাবদ ১০ জনের নামে ৫ লক্ষ ৪৩ হাজার ৮২০ টাকার দুটি চেক প্রদান করা হয়। একই গ্রামের কালিপদ সরকারের ছেলে হারাধন সরকারের হাতে জমির মূল্য বাবদ ৮২ হাজার ৮৯১ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।

Advertisements

অপরদিকে নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ৩টি আঞ্চলিক ও ৩টি জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের বদলগাছী উপজেলাধীন গোয়ালভিটা মৌজায় ঐতিহাসিক পাহাড়পুর সড়ক নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমি ও গাছপালার মূল্য বাবদ জয়পুরহাট জেলার শান্তিনগর গ্রামের আবু তাহের মন্ডলের ছেলে ছানোয়ারের হাতে ১ কোটি ৪৭ লক্ষ ৮৭ হাজার ১২২টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সোহেল রানা, জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল বলেন ভূমি অধিগ্রহণের টাকা পেতে কোন ব্যক্তিকে একটি টাকার মিষ্টি খাওয়া কিংবা অন্য কোন বিষয়ে কোন অর্থ প্রদান না করতে জমির মালিকদের সতর্ক করেন। এটি সরকারি প্রক্রিয়া যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়। এছাড়া ক্ষতিপূরনের অর্থ জেলা প্রশাসকের নিকট আসা মাত্রই প্রক্রিয়া শেষে মালিকদের কাছে পৌছে দেওয়া হয়। সকল প্রক্রিয়া শেষ হতে কিছুটা সময় লেগে যায়। যার কারণে কিছু কিছু জমির মালিক দেরী হওয়ার কারণে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বসেন যা সত্যিই জেলা প্রশাসনের জন্য খুবই কষ্টের বিষয়। এমন ঘটনাগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের জন্য শোভনীয় নয়। তাই যে কোন বিষয় সম্পর্কে ভালো ভাবে জেনে ও বুঝে যৌক্তিক বিষয়ে অভিযোগ করার প্রতি তিনি সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।


আরো খবর