• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৭ নভেম্বর ১৯৭৫ : আমার চোখে সিপাহি-জনতার বিপ্লব বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ভিইউ সাইফিউশন কৃষকের সার পাচার ও অপচয় ঠেকাতে নজরদারির আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর পবায় নিজ উদ্যোগে শতাধিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ শিশুর পুষ্টিই জাতির শক্তি,আমাদের করণীয় ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তানযীমুল উম্মাহর ৬ শিক্ষার্থীর ৯ পুরস্কার জেলা পুলিশের অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১৩তম সভা নগরীতে ৩০ লাখ টাকার বেশি বায়না দিয়েও ভূমিদস্যু অপপ্রচারের অভিযোগ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

রাজশাহীতে বারসিক কার্যক্রম পরিদর্শনে মুক্তি নারী

নিজস্ব প্রতিবেদক
সর্বশেষ: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
রাজশাহীতে বারসিক কার্যক্রম পরিদর্শনে মুক্তি নারী
রাজশাহীতে বারসিক কার্যক্রম পরিদর্শনে মুক্তি নারী

রাজশাহীতে বারসিকের (বাংলাদেশ রিসার্চ সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ) বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে কুষ্টিয়ার মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর ) সংগঠনটির ১৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এএলসি (কৃষি প্রতিবেশ বিদ্যার শিখন কেন্দ্র), শতবাড়ি ও ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন কেন্দ্র ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শন কার্যক্রমে বারসিকের পক্ষ থেকে গাইড হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অমৃত কুমার সরকার, তৌহিদুল ইসলাম ও পলি রানী। তারা কৃষি উৎপাদন, বিপণন পদ্ধতি ও অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
মুক্তি কুষ্টিয়ার নির্বাহী পরিচালক মমতাজ আরা বেগম, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর উম্মে সালমা, ইয়ং ওম্যান রির্সাসার শিবলী আক্তার এবং মিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. লিমন শেখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনে অংশ নেন কুষ্টিয়ার ১২ জন কৃষক-কৃষাণীসহ মুক্তি কুষ্টিয়ার মোট ১৯ জন সদস্য। তারা রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার বড়গাছড়ি ইউনিয়নের কারিগরপাড়া গ্রামের বিলকিস বেগম ও শ্যামলী বেগমের শতবাড়ি এবং দর্শনপাড়া ইউনিয়নের তালুক ধর্মপুরের মোছা. শিল্পী বেগমের এএলসি ও বিল নেপালপাড়া গ্রামের মোছা. সুলতানা খাতুনের এএলসি ঘুরে দেখেন।
উল্লেখ্য, এএলসি ঘরগুলোতে রয়েছে বীজ ব্যাংক, অচাষকৃত শাকের প্লট, দেশি ফল-ফুলের গাছ, নানা প্রজাতির সবজি, পশুপাখি ও ঔষধি গাছ। পরিদর্শন শেষে নির্বাহী পরিচালক মমতাজ আরা বেগম বলেন, বারসিকের এই প্রকল্প আমার কাছে অপূর্ব মনে হয়েছে। এটি দেশ, মানুষ ও মাটির জন্য এবং ভবিষ্যতে বিষমুক্ত দেশ গড়তে সহায়ক হবে। যদি প্রতিটি বাড়িতে এ ধরনের এএলসি ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তবে আমরা খাদ্য সার্বভৌমত্বের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারব।
এ সময় কুষ্টিয়া মিরপুরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. লিমন শেখ বলেন, বারসিকের সহযোগিতায় প্রদর্শনী প্লটগুলো কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে দেশি জাতের ফল ও শাকসবজি পুনরুজ্জীবিতকরণ এবং বীজ বিনিময় প্রথা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা চেষ্টা করব কুষ্টিয়ার প্রতিটি গ্রাম সবুজায়নে ভরে তুলতে।


আরো খবর