• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৭ নভেম্বর ১৯৭৫ : আমার চোখে সিপাহি-জনতার বিপ্লব বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ভিইউ সাইফিউশন কৃষকের সার পাচার ও অপচয় ঠেকাতে নজরদারির আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর পবায় নিজ উদ্যোগে শতাধিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ শিশুর পুষ্টিই জাতির শক্তি,আমাদের করণীয় ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তানযীমুল উম্মাহর ৬ শিক্ষার্থীর ৯ পুরস্কার জেলা পুলিশের অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১৩তম সভা নগরীতে ৩০ লাখ টাকার বেশি বায়না দিয়েও ভূমিদস্যু অপপ্রচারের অভিযোগ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

বড়াইগ্রামে শাখা-সিঁদুর পড়া ৩ মুসলিম নারী আটক

বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি
সর্বশেষ: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
বড়াইগ্রামে শাখা-সিঁদুর পড়া ৩ মুসলিম নারী আটক
বড়াইগ্রামে শাখা-সিঁদুর পড়া ৩ মুসলিম নারী আটক

নাটোরের বড়াইগ্রামে দুই হাতে শাখা পরিহিত ও মাথার সিঁথিতে সিঁদুর লাগানো ৩ মুসলিম নারীকে একটি কীর্তন অনুষ্ঠান থেকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। তবে তারা শাখা-সিঁদুর পড়ে হিন্দু সাজার জন্য আটক হয়নি। আটক হয়েছে কীর্তন অনুষ্ঠানে আসা হিন্দু নারীদের গলায় থাকা সোনার চেইন কৌশলে ছিনিয়ে নেওয়ার কারণে।

Advertisements

শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার লক্ষিকোল বাজারস্থ শ্রী শ্রী কালী মাতার মন্দিরে মহা হরিনাম ও লীলা কীর্তন অনুষ্ঠান থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত প্রতারক ওই তিন নারী হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে ও দুলাল মিয়ার স্ত্রী শামসুন্নাহান বেগম (২৮), একই গ্রামের কাজল হোসেনের মেয়ে ও আরিছ মিয়ার স্ত্রী লিপি আক্তার (৩০) এবং আবু মিয়ার মেয়ে ও হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী রোজিনা খাতুন (২৬)। তাদেরকে রবিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

জানা যায়, দিনাজপুরের বিরামপুর থেকে মৃত মন্টু কুন্ডুর স্ত্রী চায়না রানী (৫৫) কীর্তন উপলক্ষে বড়াইগ্রাম পৌরসভার লক্ষীকোল মহল্লায় মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শাখা-সিঁদুর পড়া তিনজন নারী কীর্তন অনুষ্ঠানে চায়না রানীর পাশে ঘিরে বসে। এক পর্যায়ে কীর্তনের আবেগঘন আসর জমে উঠলে প্রতারক ওই তিন নারীদের একজন চায়না রানীকে জড়িয়ে ধরে এবং কৌশলে গলায় থাকা সোনার চেইন খুলে নেয়। বিষয়টি চায়না রানী আঁচ করতে পেরে পাশে থাকা মেয়ে জামাই মন্টু কুমার কুন্ডুকে জানায়। তখন স্থানীয় ভক্তদের সহযোগিতায় ওই তিন প্রতারক নারীকে চিহ্নিত করে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে মহিলা পুলিশের সহায়তায় প্রতারকদের একজনের গোপনাঙ্গ থেকে এক ভরি ওজনের সোনার চেইনটি উদ্ধার করে।

বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম সারোয়ার হোসেন জানান, তারা পরিকল্পিতভাবে হিন্দু সেজেছে এবং কীর্তন অনুষ্ঠানে এসে গলায় সোনার চেইন আছে এমন হিন্দু নারীদের টার্গেট করে পাশে বসে। অতঃপর কীর্তন চলাকালে সাধারণ ভক্তদের মতো তারাও তাদের টার্গেট করা আগত হিন্দু নারীদের জড়িয়ে ধরে হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ বলে কান্নাকাটি করতে থাকে। ততক্ষণে প্রতারকরা কৌশলে সোনার চেইন খুলে নেয়। এরা সংঘবদ্ধ ও আন্তঃজেলা নারী প্রতারক। তাদের সাথে আরও কারা জড়িত আছে তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে। আটককৃত ওই তিন নারীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরো খবর