• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৭ নভেম্বর ১৯৭৫ : আমার চোখে সিপাহি-জনতার বিপ্লব বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ভিইউ সাইফিউশন কৃষকের সার পাচার ও অপচয় ঠেকাতে নজরদারির আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর পবায় নিজ উদ্যোগে শতাধিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ শিশুর পুষ্টিই জাতির শক্তি,আমাদের করণীয় ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তানযীমুল উম্মাহর ৬ শিক্ষার্থীর ৯ পুরস্কার জেলা পুলিশের অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১৩তম সভা নগরীতে ৩০ লাখ টাকার বেশি বায়না দিয়েও ভূমিদস্যু অপপ্রচারের অভিযোগ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

হোজা নদীর যৌবন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি বাপা ও রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
সর্বশেষ: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
হোজা নদীর যৌবন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি বাপা ও রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের
হোজা নদীর যৌবন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি বাপা ও রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের

রাজশাহী হোজা নদীর যৌবন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। রবিবার বিকেলে রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. জামাত খান সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

Advertisements

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হোজা নদীটি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া এলাকায় মুসাখান নদে গিয়ে পড়েছে। এর দৈর্ঘ্য ২৬ কিলোমিটার। এক সময় নদীটি দিয়ে নৌকা চলাচল করত। নদীতে ধরা পড়ত প্রচুর মাছ। নদীর সৌন্দর্য দেখে চোখ জুড়িয়ে যেত। কিন্তু এখন এসব শুধুই অতীত। অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন সময়ে নদীর উপর নির্ধারিত প্রস্থের তুলনায় অনেক ছোট দৈর্ঘ্যের ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে, এতে নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ময়লা-আবর্জনা ফেলায় নদীটি ভরাট হয়ে গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, দখল-দূষণে হুমকির মুখে পড়েছে নদীটির অস্তিত্ব। এর মধ্যে ৯ কিলোমিটারেই পানির প্রবাহ নেই বললেই চলে। অনেক স্থান দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা। আবার ফলিয়ার বিল অংশে নদীর আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে পুকুর করে মাছ চাষ করা হচ্ছে।
এছাড়াও পৌরসভার সিংগাবাজার অংশের নদীর দুই পাশে পৌর এলাকার সব ধরনের ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে ওই সেতুর দুই পাশের অনেক জমি ভরাট হয়ে গেছে। কোনো বর্জ্য নদীতে ফেলার নিয়ম নেই। অথচ নদীতে বর্জ্য ফেলছে।

তারা দাবি করেন, নদীটার খনন দরকার, সেই সাথে নদীর সংযোগ খালগুলো পুনঃখনন করা হলে অত্র এলাকার জীববৈচিত্র্যে ব্যাপক প্রাণচঞ্চল্যতা ফিরে আসবে। সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সমন্বয়ই পারবে হোজা নদীর যৌবন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তারা।


আরো খবর