দীর্ঘদিনের অবহেলা, নাগরিক দুর্ভোগ ও উন্নয়ন ঘাটতি কাটিয়ে আড়ানগর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়নে রূপান্তরের প্রত্যয় নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের মাঠে কাজ করছেন শামীম কবির মিল্টন। মানুষের পাশে থেকে তাদের কথা শোনা এবং বাস্তবভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় করছেন তিনি।
বর্তমানে তিনি উপজেলার ৫ নং আড়ানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ছাত্রজীবনে এমএম সরকারি ডিগ্রি কলেজ শাখা, আড়ানগর ইউনিয়ন যুবদলসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন পদে থেকে রাজনীতি করে আসছেন। রাজনীতি জীবনে তিনি বেশ কয়েকবার মামলা, হামলার শিকারের পাশাপাশি কারাবাস করেছেন। সে আড়ানগর ইউনিয়নের লক্ষণপাড়া গ্রামের মৃত জাহিদুল ইসলামের ছেলে।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শামীম কবির মিল্টন বলেন, আড়ানগর ইউনিয়নের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা ও নাগরিক সুবিধার ঘাটতির মধ্যে বসবাস করছেন। মানুষের এসব কষ্ট ও প্রত্যাশাকে সামনে রেখেই তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়নকে কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব পরিবর্তন দৃশ্যমান করার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি। তার পরিকল্পনায় রয়েছে ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার ও উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি নাগরিক সেবা আরও সহজ ও জনবান্ধব করা। পাশাপাশি বেকার তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “আমি চেয়ারম্যান হতে চাই মানুষের সেবা করার জন্য। আড়ানগরের প্রতিটি মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে সম্মানের সঙ্গে তাদের প্রাপ্য সেবা পান—এটাই আমার প্রধান লক্ষ্য। জনগণ আমাকে দায়িত্ব দিলে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করব।” উন্নয়নের সুফল যেন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও সমানভাবে পান, সে বিষয়ে বিশেষ নজর থাকবে। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নয়, আড়ানগর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণকে সামনে রেখে কাজ করতে চান তিনি।
তরুণদের নিয়ে তার রয়েছে বিশেষ পরিকল্পনা। যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা, শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে নারীদের স্বাবলম্বী করতে প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সৃষ্টির ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।