• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০২ অপরাহ্ন
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

জমি দখলের অভিযোগে সাংবাদিক পরিচয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
সর্বশেষ: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
জমি দখলের অভিযোগে সাংবাদিক পরিচয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার
জমি দখলের অভিযোগে সাংবাদিক পরিচয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

Advertisements

গোদাগাড়ীতে সাংবাদিক পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এক ব্যবসায়ী পরিবারকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি, মিথ্যা মামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবার বলছে, পরিকল্পিতভাবে জমি ও অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে একের পর এক ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে নগরীর অনুরাগ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীর স্ত্রী আরমিনা আক্তার জানান, তাঁর স্বামী আবুল কালাম একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্য, সোনা মসজিদ স্থলবন্দরভিত্তিক আমদানি-রপ্তানি ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত এবং একজন ভাটা ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত। তাঁর চাচা শ্বশুর সাইফুল ইসলাম নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ে পরিচিত হওয়ায় এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছেন। অভিযুক্তের নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি গোদাগাড়ী উপজেলার মহিষালবাড়ি সাগরপাড়া গ্রামের মৃত গিয়াসউদ্দিনের ছেলে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, সাইফুল ইসলামের বাসা সংলগ্ন চার কাঠা জমি আইনগতভাবে ক্রয় করেন আবুল কালাম। তবে জমি বুঝে নেওয়ার সময় বিরোধের সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ওই সময় সাইফুল ইসলাম আবুল কালামের ওপর শারীরিক হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। পরবর্তীতে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০২২ সালের ৯ ডিসেম্বর ঘটনার সূত্র ধরে ২১ ডিসেম্বর গোদাগাড়ী থানায় আবুল কালামের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক।

এদিকে একই দিনে আবুল কালামের মাকেও মারধর করে গুরুতর আহত করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের দুই তারিখে তিনি সাইফুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী বেলীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মামলাগুলো চলমান থাকা অবস্থায়ও সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে প্রভাব বিস্তার করে একের পর এক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন আরমিনা আক্তার।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ, পুলিশ দিয়ে ভয় দেখানো, অর্থ দাবি এবং মাদক মামলায় ফাঁসানোর হুমকিও দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে একাধিক বার কল দিলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।


আরো খবর