বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান ড. এম আসাদুজ্জামান ইন্তেকাল করেছেন। শুক্রবার সকাল ৯ টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাক্তার শংকর কুমার বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার সকালে তিনি গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে তার আগেই তিনি মারা যান। আমরা তাকে ব্রথ ডেড হিসেবে পেয়েছি।
বিএমডিএ চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম জানান, আসাদুজ্জামান কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। কয়েকদিন ধরে তাঁর জ্বরও ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে তিনি বাসাতেই বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে তার আগেই তিনি মারা যান।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। ড. আসাদুজ্জামান মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর দুই সন্তানই আমেরিকায় থাকেন। ছেলে জাতিসংঘের বড় পদে চাকরি করেন। সন্তানেরা দেশে ফেরার পর দাফনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম।
ড. এম আসাদুজ্জামানের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার কেল্লাবারুইপাড়া মহল্লায়। আট ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ। তাঁর বড় ভাই ড. এম এনামুল হক পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ছিলেন। আরেক ভাই প্রয়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হক বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। আরেক ভাই মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন বিএনপি চেয়ারপারসনের সামরিক উপদেষ্টা ছিলেন। বর্তমানে তিনি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
গত বছর আওয়ামী সরকারের পতনের পর ড. এম আসাদুজ্জামানকে বিএমডিএর চেয়ারম্যান হিসেবে পদায়ন করা হয়। ১৯৯২ সালে বিএমডিএ প্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বরেন্দ্রের প্রাণ পুরুষ
বরেন্দ্রের প্রান পুরুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন ড. আসাদুজ্জামান। মুলত বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ প্রতিষ্ঠা এবং এর কার্যক্রমের মাধ্যমে সুফল ঠাঁঠাঁ বরেন্দ্র হিসেবে পরিচিত রাজশাহী অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার কারিগর হিসেবে পরিচিত পান আসাদুজ্জামান।
দীর্ঘ সময় বিরতির পর গত বছর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারী করে তাকে দু’বছরের জন্য চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ দেয়। আসাদুজ্জামানের চেয়ারম্যান হবার খবরে পুরো বরেন্দ্র অঞ্চল-জুড়ে বয়েছে আনন্দের বন্যা। বরেন্দ্র ভবনেও উল্লাসের কমতি ছিলোনা।
১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত স্যার ম্যাকডোনাল্ড এ্যান্ড পাটনার এর কনসালটেন্ট হিসাবে বিএডিসিতে চাকুরী করেন তিনি। প্রকল্পের চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ায় ১৯৭৭ সালে বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে যাত্রা শুরু। সুযোগ হয় বাংলাদেশের ভূ-গর্ভস্থ ও ভূউপরিস্থ সেচ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা গভীরভাবে পর্যবেক্ষনের। দেশী বিদেশী বিশেষজ্ঞরা যখন মতামত দিয়েছিল রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে সেচ প্রদান সম্ভব নয়। এমন মতামতের বিপক্ষে বিষয়টাকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নেন। পুরো বরেন্দ্র এলাকা ঘুরে কারিগরি তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের উপস্থাপন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ১৯৮২-৮৩ সালে কারিগরি তথ্য সমৃদ্ধ রিপোর্ট তৈরি করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এরপর পক্ষে বিপক্ষে মতামত সুপারিশ আর তৎকালীন বিএডিসির কর্মকর্তাদের নিয়ে সিদ্ধান্ত হয় ডিপ-টিউবওয়েল বসানোর। ১৯৮৬ সালে প্রজেক্টের উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রাখার জন্য তাকে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে পদোন্নতি দেয়া হয়। শুরু হয় বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কর্মযজ্ঞ। আসে একের পর এক সফলতা। ঠা ঠা বরেন্দ্র হিসাবে পরিচিত এক ফসলের জায়গায় তিন ফসল উৎপন্ন হয়। সবুজে ভরে যায় চারিদিক। বৃহত্তর রাজশাহী থেকে দিনাজপুর জেলা পর্যন্ত পুরো উত্তরাঞ্চল-জুড়ে চলে বরেন্দ্র প্রকল্পের কর্মকাণ্ড বিস্তৃত হয়।
২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বরেন্দ্র প্রকল্পে ঢুকে পড়ে রাজনীতি। চেয়ারম্যান করা হয় নূরুল ইসলাম ঠান্ডুকে। আগে চেয়ারম্যানে দায়িত্ব পালন করতেন বিভাগীয় কমিশনার। কিন্তু রাজনৈতিক ব্যাক্তিকে চেয়ারম্যান করা হয়।
অতি প্রাচীন পলিমাটি বিস্তৃত বরেন্দ্র ভূমির উৎপত্তি প্রায় বিশ লক্ষ বছর আগে। পূর্বে আত্রাই, তিস্তা ও করোতোয়ার পলি অঞ্চল আর পশ্চিমে পূণর্ভবা, মহানন্দা ও পদ্মার মধ্যবর্তী ভূ-ভাগের নুন্যতম সাড়ে আট হাজার বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বরেন্দ্র ভূমি বিস্তৃত অর্থাৎ বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার অধিকাংশ এলাকা এবং নাটোরসহ বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও পাবনা জেলার কিয়দংশ এলাকা এবং ভারতের উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা জেলার অধিকাংশ এলাকা নিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চল গঠিত। বাংলাদেশে এর আয়তন প্রায় ৮৭২০ বর্গ কি.মি.। এর মধ্যে বরেন্দ্র অধিক্ষেতকে ৩টি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। ঠাঁঠাঁ বরেন্দ্র (Hard Barind), মধ্যম বরেন্দ্র (Medium Barind) ও প্লাবিত বরেন্দ্র (Flooded Terrace। ঠাঁঠাঁ বরেন্দ্র (Hard barind) এলাকা Water stressed এলাকা হিসাবে চিহ্নিত, এর পরিমান ৩% (Ref.: Dr. Hue Brammer, FAO Deputy Project Commissioner, East Pakistan, Reconnaissance Soil Survey of Rajshahi District, 1968)।
১৯৮৫ সালের পূর্বে উত্তর অঞ্চলের এই বরেন্দ্র এলাকা ছিল লাল কংকরময় মাটির উঁচু নীচু টিলা, ছায়াহীন এক রুক্ষ প্রান্তর। WARPO এর সার্ভে অনুযায়ী কোন কোন এলাকা ছিল Stressful, ছিল রোদে পোড়া বিরান ফসলের মাঠ। দেখা যেত দূরে দূরে তালগাছ এবং মাঝে মাঝে বাবলা আর ক্যাকটাসের বেড়া। এই হলো আমাদের বরেন্দ্র ভূমি। তবে ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় প্রাচীনকালে বরেন্দ্র ভূমির চিত্র ভিন্ন ছিল। খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দ থেকে শুরু করে বৌদ্ধ ধর্ম ও কৃষ্টির প্রসারকালে এ অঞ্চল কৃষি ও শিল্প সমৃদ্ধ এলাকা হিসাবে পরিচিত ছিল। এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশও সে সময় বেশ চমৎকার ছিল। নেলসনের (১৯২৩) মতে বরেন্দ্র অঞ্চল জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। উইলিয়াম হান্টারের (১৮৭৬) বর্ণনা মতে বাংলার প্রায় সব ধরণের গাছই এ অঞ্চলে পাওয়া যেত। আম, জাম, তেঁতুল, তাল, খেজুর, বট, পাইকড়, শিমুল, বাবলা, বরই, বাঁশ, বেতসহ অসংখ্য লতা গুল্মের প্রাচুর্য ছিল এ বরেন্দ্র ভূমিতে। কিন্তু বৃটিশ শাসনামলের সময় লোকসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে কৃষি জমির সম্প্রসারণ, বসতবাড়ী স্থাপন, শিল্পে কাঁচামালের যোগান, আসবাবপত্র ও গৃহনির্মাণ সামগ্রী, জ্বালানী হিসাবে কাঠের ব্যাপক ব্যবহার, রাস্তা, বাঁধ ইত্যাদি অবকাঠামো নির্মাণের কারণে ধীরে ধীরে ধ্বংস হয়েছে এ এলাকার বনভূমি। মূলত ঐ সময় থেকেই এ অঞ্চলে মরুকরণ প্রক্রিয়ার শুরু হয়।
পরিবেশের স্বাভাবিক নিয়মে এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যায়। দেশের বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাত যেখানে ২৫০০ মি.মি. সেখানে এ অঞ্চলে তা ১৪০০ মি.মি. এর বেশী নয়। ভাটির দেশ হওয়ায় উজানের দেশ থেকে নেমে আসা প্রায় সকল নদীতে বাঁধ নির্মাণ করায় অধিকাংশ নদীই (মহানন্দা, আত্রাই, পূর্ণভবা, শিব, পাগলা, করোতোয়া, তিস্তা) শুকনো মৌসুমে প্রায়ই শুকিয়ে যায়। এছাড়াও নদী বা খালে পানির প্রবাহ না থাকায় এবং কমে যাওয়ায় পলি জমে অধিকাংশ নদী-নালা, খাল-বিল ভরাট হয়ে পর্যাপ্ত পানি ধারণ ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে। ফলে এ অঞ্চলে ভূ-পরিস্থ পানির উৎসও খুবই অপ্রতুল হয়ে পড়ে। এ অঞ্চলের জমিগুলো ছিল তাই বৃষ্টি নির্ভর একফসলী। যথা সময়ে বৃষ্টিপাত না হলে একটি ফসল উৎপাদনও ব্যহত হতো। বৃষ্টি নির্ভর বোনা আমন ফসলের পর বছরের বাকী সময় জমিগুলো গোচারণভূমি হিসাবে ব্যবহৃত হতো। দীর্ঘ কাদাস্তর ভেদ করে মাটির গভীর থেকে ভূ-গর্ভস্থ পানির উত্তোলনও সহজ ছিল না। তাই সেচ কার্যক্রমতো দুরের কথা এলাকাবাসী খাবার পানিসহ গৃহস্থালীর নানা কাজে পুকুর, খাল বিলের পানি ব্যবহার করতো। ঠিকভাবে ফসল উৎপাদন না হওয়ায় এ এলাকার জনসাধারণ অত্যন্ত দরিদ্র ছিল। তাই কাজের সন্ধানে/অন্বেষণ এখানকার জনসাধারণ নিয়মিত অন্যত্র গমন করতো।
মাটির গঠন এবং ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তরের স্বল্পতার কারণে এ অঞ্চলে প্রচলিত নলকূপ দ্বারা সেচ কাজ সম্ভব ছিল না। সে প্রেক্ষিতে ১৯৮৫ সালে এ অঞ্চলের তৎকালীন বিএডিসি’র প্রকৌশলীগণ জনাব ড. আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে এক বিশেষ ধরণের নলকূপ উদ্ভাবন করে ভূ-গর্ভস্থ পানি দ্বারা সেচের সুযোগ সৃষ্টি করেন।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) এর আওতায় বরেন্দ্র সমন্বিত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প (BIADP) এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ১৫ টি উপজেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। নলকূপ স্থাপন ও পুকুর-খাল খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সৃষ্টি করা, বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে মরু প্রক্রিয়া রোধ করা এবং উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করা ও যাতায়াতের জন্য ফিডার রোড নির্মাণ করা ছিল এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। সময়ের স্বল্পতা, অর্থায়নের প্রতিকুলতাসহ নানাবিধ প্রশাসনিক জটিলতায় প্রকল্পের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয় কিন্তু অল্প সংখ্যক হলেও উল্লেখিত কার্যক্রম সমূহ এ এলাকার মানুষের মনে বিরাট আশার আলো জাগায়। বরেন্দ্র এলাকার বিরান ভূমিতে সোনালী ফসলের অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে পরবর্তীতে সমগ্র বরেন্দ্র এলাকার উন্নয়নের জন্য ১৯৯২ সালের ১৫ জানুয়ারী রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল (২৫টি) উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়।
বিএমডিএ কর্তৃক বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণের ফলে বরেন্দ্র এলাকার কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিবেশের উন্নয়নসহ জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়। এখন আর জনসাধারণকে কাজের সন্ধানে অন্যত্র গমন করতে হয়না।
বিএমডিএ’র কার্যক্রমের সাফল্যের কারণে পরবর্তীতে ২০০৩ সালে ‘‘উত্তর বাংলাদেশ গভীর নলকূপ প্রকল্প’’ এর আওতায় স্থাপিত পানি উন্নয়ন বোর্ড এর ১২১৭টি অকেজো নলকূপ গ্রহন ও সচলকরণের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও পঞ্চগড় জেলায় বিএমডিএ এর কার্যত্রম সম্প্রসারিত হয়। সাফল্যের ধরাবাহিকতায় পরবর্তীতে ২০০৪ সাল থেকে বিএডিসি’র অচালূ নলকূপ গ্রহণ ও সচলকরণের মধ্যে দিয়ে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সকল জেলাতেই কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম বিস্তার লাভ করে।