পদোন্নতি পেয়ে ঢাকা আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসে উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন নওগাঁর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো লুৎফর রহমান। এর আগে গত ২৯ তারিখে উপসচিব মোসাম্মাৎ রহিমা আক্তার স্বাক্ষরিত চিঠিতে পদোন্নতির কথা জানা যায়।
তাঁর পদোন্নতি জনিত বদলীতে বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শিক্ষা অফিসে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাঁকে বিদায় সংবর্ধনা। এ সময় জেলা শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, ডিইও মো. লুৎফর রহমান গত ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন। তিঁনি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করার পর থেকে নওগাঁ জেলা শিক্ষা অফিস সম্পর্ণভাবে দূর্ণীতিমূক্ত রয়েছে। তাঁর সততা ও নিষ্ঠার জন্যেই তিঁনি গত ২০২৩ সালে দেশ সেরা জেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং শুদ্ধাচার পুরুষ্কার পেয়েছিলেন। এবারেও তিঁনি রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন।
তাঁর কাজের জন্য জেলার সাধারণ শিক্ষক-কর্মচারীগণ অত্যন্ত খুশি। প্রিয় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পদোন্নতির সংবাদ যেন মূহুর্তের মধ্যে পুরো জেলার শিক্ষা পরিবারে ছড়িয়ে পরে। এতে করে শিক্ষকদের মনের মাঝে যেমন প্রিয় স্যারকে হারানোর বেদনা রয়েছে তেমনি ভাবে স্যারের পদোন্নতিতে সবাই আনন্দে আত্মহারা হয়েছেন।
জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল গফুর প্রাং বলেন, আমাদের জেলা শিক্ষা অফিসার স্যার সততার এক অনন্য প্রতিক। স্যারকে আমরা আমাদের মাঝে দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পেয়েছি তাই নিজেদেরকে ধন্য মনে করছি সেই সাথে স্যারের ভবিষ্যৎ জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। পদোন্নতির অনুভূতি প্রকাশ করে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান বলেন, আমাকে পদোন্নতি দিয়ে ঢাকা আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসের উপপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।
আমি দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর সময় নওগাঁ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলাম। সবসময় নিজেকে ঘুষ-দূর্ণীতির উর্দ্ধে রেখেছি এবং নিজের দায়িত্বকে পবিত্র ধর্ম জ্ঞান করে চলেছি। আমার এই দায়িত্ব পালনের সময়ে জেলার প্রতিটি শিক্ষকের কাছে থেকে আমি আন্তরিক সহায়তা পেয়েছি। এ জন্য জেলার শিক্ষা পরিবারের সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।