পদ্মা নদী সংলগ্ন নাটোরের লালপুর উপজেলায় শুরু হয়েছে রাসেলস ভাইপার আতঙ্ক। গত কয়েকদিনে ওই এলাকায় মারা ও ধরা হয়েছে বেশ কয়েকটি সাপ। ইতোমধ্যে একজনকে কামড় দিলেও তিনি বেঁচে আছেন। তবে কতৃপক্ষ বলছেন, সঠিক পরীক্ষা -নীরিক্ষার পরই জানা যাবে তা রাসেল’স ভাইপার কি-না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে লালপুর উপজেলার পদ্মার চর সংলগ্ন মোহরকয়া এলাকার লোকমানের ছেলে কাজল (৩০) তার জমির পানিতে ঘাস কাটতে যান। ওই সময় হাসুয়ার আঘাতে একটি সাপ দ্বিখন্ডিত হয়। এরপর তিনি দুটি সাপকে ধরে বোতলে নিয়ে জনসম্মুখে আসেন। তার ধারণা ওই সাপ রাসেল’স ভািপার হতে পারে।
এরআগে শনিবার সকালে উপজেলর নওশারা সুলতানপুর এলাকায় ঘাস কাটতে গেলে খালেকের ছেলে রকি (২৮) কে ছোবল মারে একটি সাপ। ওই সময় ওই সাপসহ আরো তিনটি সাপকে মেরে মাটিতে চাপা দেন তিনিসহ সঙ্গীয়রা। পরে তাকে কুষ্টিয়া এলাকার এক ওঝাকে দিয়ে ঝাড়-ফুক দেয়া হয়। তিনি বর্তমানে সুস্থ্য রয়েছেন। তিনিসহ এলাকাবাসীর ধারণা,ওই সাপগুলো ছিল রাসপল’স ভাইপার। এরআগে শুক্রবার উপজেলার কদিম চিলানে ঘাটচিলান সত্যেনদ্রনাথের ধানের চাতালে ধরা পড়ে তিনটি সাপ। স্থানীয়দের ধারণা,ওই সাপগুলো রাসেল’স ভাইপার।
এবিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার ও বিলমারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ছিদ্দিক আলী মিষ্টু বলেন,গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকটি সাপ ধরা পড়ে। একজনকে ছোবল দিলেও সে এখন ভালো আছেন। এনিয়ে এলাকায় দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার একেএম শাহাব উদ্দীন জানান,এখন পযন্ত যে সাপগুলো ধরা পড়েছে তা রাসেল’স ভাইপার বলে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সিভিল সার্জন ডাক্তার মুহাম্মদ মশিউর রহমান জানান,নাটোেরের কোথাও এখনও রাসেল’স ভাইপার পাওয়ার তথ্য নেই। সঠিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা ছাড়া কোন সাপকে রাসেল’স