চাঁপাইনবাবগঞ্জে অম্লীয় মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা কর্মসুচির আওতায় উপজেলা ভুমি ও মৃত্তিকা সম্পদ ব্যবহার নির্দেশিকার উপর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও প্রগতিশীল কৃষকগনের ২দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ।
আজ বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট,চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃসি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃসি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃসি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনাস্টটিউটের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হালিম।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক ড. পলাশ সরকার, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট মোঃ শহীদুল ইসলামসহ অনেকেই।এই প্রশিক্ষণে ৪০ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও প্রগতিশীল কৃষকগন অংমপ্রহণ করেন। প্রধান অথিতি তার বক্তরে্য বলেন, বাংলাদেশের অত্যধিক অম্লীয় এবং অধিক অম্লীয় মাটি সংশোধনের জন্য ডলোচুনের সুপারিশকৃত মাত্রা প্রধানত: মাটির বর্তমান অম্লমান (পিএইচ), মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ ও মাটির বুনটের উপর নির্ভর করে। গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে, সাধারণত প্রতি শতাংশ জমিতে ৪ কেজি বা একরে ৪০০ কেজি বা হেক্টরে ১ টন হিসাবে ডলোচুন প্রয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
এই মাত্রায় ডলোমাইট বা ডলোচুন প্রয়োগ করা হলে মাটির অম্লতা হ্রাস পাবে এবং ফসলের কাঙ্খিত ফলন পাওয়া যাবে। তবে, মাটির পিএইচ মান, মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ ও মাটির বুনটের উপর ভিত্তি করে ডলোচুনের সুপারিশকৃত মাত্রা এর কম বা বেশীও হতে পারে।