Advertisements

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট কাঁপাবে দুর্গাপুরে কালু। ২৫ মনের বিশাল আকৃতির ষাঁড়টির আদর করে নাম রাখা হয়েছে কালু । রাজশাহীর কুরবানির হাটের বিশেষ আকর্ষণ এই গরুটির দাম হাকা হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা। গরুটি দেখতে ভীড় করছেন নানা বয়সী দর্শনার্থী ।
উপজেলার পানানগর ইউপির প্রান্তিক খামারি কামরুল ইসলাম তার খামারে গরুটিকে লালনপালন করছেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য মতে, উপজেলা জুড়ে কোরবানি দেওয়ার উপযোগী ষাঁড় গরু রয়েছে, ২ হাজার ৩৯০ টি বলদ রয়েছে, ৭০ টি গাভী রয়েছে, ৪৪৫টি মহিষ রয়েছে ৩৮ টি এছাড়াও ছাগল রয়েছে ৩৭,২৫৭ টি ভেড়া রয়েছে ৪,২২০টি।
খামারি কামরুল ইসলাম জানান, হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি প্রায় ৬ মাস পূর্বে রাজশাহীর সিটি হাট থেকে ২ লক্ষ ২২ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করি। আদর করে আমার সন্তান গরুটির নাম রেখেছে কালু। গরুটিকে সন্তানের মত লালন পালন করে বড় করেছি। দেশীয় মোটা তাজাকরণ পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে গরুর এমন চমৎকার ফলাফল হয়েছে। খাদ্য হিসেবে কালুকে দেয়া হয়, খড়, গমের ভূষি, এংকারের ভুষি, কলাইয়ের ভুষি, খৈল, খুদ কাঁচা ঘাস দেওয়া হয়।
গড়ে প্রতিদিন ৫০০ টাকার খাবার খায় কালু। আনুমানিক বর্তমান প্রায় ২৫ মন গরুটির ওজন, উচ্চতা প্রায় ১০ ফুট। গরুর দাম হেঁকেছি ১০ লক্ষ টাকা প্রত্যাশা মাফিক দাম উঠলে বিক্রি করে দেব।
এবিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, কামরুল ইসলাম একজন সচেতন খামারি। তার উন্নত জাতের ষাঁড় গরুটি প্রাকৃতিক ঘরোয়া খাবার দিয়েই মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে । তার সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ থাকে।
গরুটিকে লালনপালনের জন্য নানা পরামর্শ প্রদান করেছিলাম । গরুটিকে সময়মত টিকা ও কৃমিনাশক প্রয়োগ করা হয়েছে । অবৈধ পন্থা এড়িয়ে প্রাকৃতিকভাবে গরু মোটাতাজাকরণ করুন পদ্ধতি অনুসরণ কৃষক লাভবান হবেন।