• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

বাঘায় পদ্মার চরে ২০ হাজার মানুষের দুর্ভোগের কারণ এক কিলোমিটার কাঁচা সড়ক

বাঘা প্রতিনিধি
সর্বশেষ: শনিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৪
ÙR

Advertisements

রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে ২০ হাজার মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এক কিলোমিটার কাঁচা সড়ক।

শনিবার (২৭ জুলাই) এই কাঁচা সড়ক দিয়ে মোটর সাইকেল নিয়ে যাওয়ার পথে বেকায়দায় পড়তে দেখা গেছে অনেকেই। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় কোন মতে কাঁদামাটির সড়ক পেরিয়ে  নিজেদের প্রয়োজনে চলাচল করছে তারা। এমন ঘটনা প্রতিদিনের  উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের আটটি চরের গ্রামের মানুষদের।

ভ’ক্তভোগিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার খায়েরহাট হালিম মাস্টারের বাড়ি সংলগ্ন পদ্মা নদীর ক্যানেলের উপর খেয়াঘাট নৌকায় পার হয়ে এক কিলোমিটার কাঁচা সড়ক বেয়ে চকরাজাপুর পাঁকা সড়কে উঠতে হয়। এই সড়ক  পেরুতে প্রতিনিয়ত এই দুর্ভোগে পড়তে হয়।

এই সড়ক দিয়ে পদ্মার মধ্যে ইউনিয়ন। সেখানে আটটি চরের চকরাজাপুর কালীদাসখালী, লক্ষ্মীনগর, দাদপুর, উদপুর, পলাশী ফতেপুর, নিচ ফতেপুর পলাশী গ্রামে বসবাসকারি ২০ হাজার মানুষ চলাচল। একটু বৃষ্টি হলেই কাঁদায় পরিনত হয়। আটটি চরের মানুষ কয়েকবার সড়কটি পাঁকা করণের জন্য বিভিন্নস্থানে আবেদন করেও কোন সুরাহ মেলেনি। ফলে তারা কাদা-মাটির সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হয়। এই সড়কটি পাঁকা করণের দাবি জানিয়েছেন সেখানে বসবাসকারি চরবাসি।

কালিদাসকালী চরের অটোভ্যান চালক ইউনুছ আলী বলেন, একটু বৃষ্টি হলে এই সড়ক দিয়ে যাওয়া যায় না।  কাদার কারণে অটোভ্যান নিয়ে ভাড়ায় যেতে পারিনা। আয় রোজগারে একমাত্র অটোভ্যান গাড়িটি না চললে সংসারও চলে না। অনেক সময় বাধ্য হয়েই অটোভ্যান ভাড়ায় বের করতে হয়। উপজেলা সদরে সারাদিন  অটো ভ্যান চালিয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরতে হলে এই কাঁদামাটি সড়ক পার হতে হলে অন্যের সহযোগিতা ছাড়া যাওয়া-আসা করা যায় না।
চরে বসবাসকারি কৃষক আজগর আলী শেখ বলেন, চরে পলি পড়া জমিতে  নানা রকম ফসল চাষ করি। এই জমির আবাদ বাড়ি  থেকে বাজারে নিতে সেই  কাঁদামাটির সড়কে চলাচল করতে হয়। কোন কোন সময় ভ্যানে ফসল আনা-নেওয়াতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। এই সড়কটি বর্তমানে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূর্ভোগ লাঘবে সড়কটি পাকা হওয়া অতিজরুরি।

চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান ডি এম মনোয়ার হোসেন বাবলু দেওয়ান বলেন, সড়কটির বিষয়ে  কয়েকবার বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছি। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তবে এর আগে এই সড়ককে মাটি কাটা হয়েছিল। বর্ষা মৌসুমে এই এলাকার মানুষ অনেক কষ্ট করে চলাচল করেন।
উপজেলা প্রকৌশলী বেলাল হোসেন বলেন, সড়কটির বিষয়ে অবগত রয়েছি। সড়কটি নির্মাণে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের  কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে ব্যবস্থা নেওয়া ।


আরো খবর