• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

নওগাঁয় গোপনে ল্যাব সহকারী নিয়োগ, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ

নওগাঁ প্রতিনিধি
সর্বশেষ: রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪

Advertisements
নওগাঁর বদলগাছীর রুকুনপুর আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে গোপনে ল্যাব সহকারী পদে ওই মাদ্রাসার অফিস সহকারী আ. ছালামের মেয়ে মোছা. মনীষা আক্তার নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ওই মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির চারজন সদস্য রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রুকুনপুর আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের না জানিয়ে মাদ্রাসায় সৃষ্ট পদ ল্যাব সহকারী পদে গত শুক্রবার (১৭ মে) নিয়োগ দেন। সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভুত ভাবে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণ করে গোপনীয়ভাবে একজন অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে তারা সুপারের নিকট জানতে চাইলে তিনি কোন রকম গুরুত্ব না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দাবি জানান তারা।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ওই মাদ্রাসার বিদ্যুৎসায়ী সদস্য শামিম হোসেন বলেন, আমি ওই মাদ্রাসার একজন বিদ্যুৎসায়ী সদস্য। আমাদের না জানিয়ে মাদ্রাসা সুপার ও সভাপতি যোগসাজশে ওই মাদ্রাসার অফিস সহকারী আ. ছালামের মেয়ে মোছা. মনীষা আক্তারকে গত শুক্রবার সবার অগোচরে নিয়োগ দেন। এবিষয়টি জানাজানি হলে গতকাল মাদ্রাসার সামনে স্থানীয়রা আন্দোলন করে। এরপর আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
অভিভাবক সদস্য আহসান হাবিব, সোহগ হাছান ও সিদ্দিকুর বলেন, এই নিয়োগের বিষয়ে আমরা কিছুই জানিনা। আমরা জানার পর সুপারকে কল দিলে তিনি বলেন আপনাদের কেন বলতে হবে।
জানতে চাইলে শিক্ষক প্রতিনিধি আতাউর রহমান বলেন, আমি শিক্ষক প্রতিনিধি হওয়ার পরও সুপার আমাকে কিছুই জানাননি। এই নিয়োগের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।
মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বাদশা বলেন, স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাহলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের কাছে বিষয়টি কেন গোপন রাখা হয়েছে? এর জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। সেটা সুপার জানেন।
এ বিষয়ে জানতে মাদ্রাসার সুপার মো. দেলোয়ার হোসেনের মুঠোফোনে (সরকারি ও তার ব্যক্তিগত নাম্বারে) একাধিকবার কল দিলেও সেটি বন্ধ ছিল। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. কামরুল হাসান সোহাগ বলেন, এবিষয়ে এখনো কিছু জানিনা। অভিযোগ পত্র হাতে পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


আরো খবর