• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

তানোরে যত্রতত্র ভাবে পশু জবাই, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে মানুষ

বাঘা প্রতিনিধি
সর্বশেষ: শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪

Advertisements
রাজশাহী তানোরে পশু জবাইয়ে নিয়মনীতি উপেক্ষিত ও নিয়মিত সরকারি তদারকি না থাকায় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে।সাধারণ জনগণ নিয়ম কানুন না জেনেই কিনছে গরু ও ছাগলের মাংস।
এখন প্রত্যেক কৃষকের ঘরে ঘরে ধান কাটা মাড়াই শেষ পর্যায় তাই সবার ইচ্ছে করে ভালো কিছু খাবার তাই গরু ছাগল মাংস কিনার ধুম পড়েছে।আর সুবাদে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের চিকিৎসকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ছাড়পত্র ছাড়াই উপজেলার বিভিন্ন হাঁট-বাজার গুলোতে অবাধে গবাদি পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,তানোর উপজেলার তানোর বাজার,মুন্ডুমালা বাজার,কালিগঞ্জ বাজার,বিল্লি বাজার,চৌবাড়িয়া বাজারে প্রতিদিন টি গরু জবাই হয়। জবাইকৃত পশুর শরীরে কোন রোগ বালাই রয়েছে কি-না এমন কোনো ধারণাই রাখেন না ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আইন প্রয়োগের দায়িত্ব প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।  কিন্তু এ ব্যাপারে তাদের কোনো তৎপরতা নেই বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা ও সাধারণ মানুষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তানোর বাজার,মুন্ডুমালা বাজার,কালিগঞ্জ বাজার,বিল্লি বাজার,চৌবাড়িয়া বাজারে গরু জবাই করা হয়। তাছাড়া হোটেলের চাহিদা পূরণ করার জন্যও গরু,ছাগল জবাই করা হয় বলে জানান হোটেল ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন। তানোর উপজেলার কালিগঞ্জ বাজারে গরুর মাংস কিনতে আসা ইসমাইল হোসেন বলেন,আমরা তো বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করেই মাংস কিনছি, কোন ভেজাল থাকলে আমাদের জানার কথা নয়, তবে সব বিষয়ে ভেটেরিনারি হাসপাতাল দেখাশোনা করলে আমাদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমে আসবে।
তিনি আরও বলেন,সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ ধরনের কোন তদারকি না থাকায়,সাধারণ জনগণ মরা গবাদিপশু, নাকি রোগাক্রান্ত গবাদিপশুর মাংস খাচ্ছে তা বোঝার কোন উপায় নেই।পাশাপাশি ধর্মীয় নিয়মানুবর্তিতার মধ্যে পশুটি জবাই করা হচ্ছে কিনা,সেটাও সকলের অগোচরে।মাংস ব্যবসায়ী রিয়াজ বলেন, আমরা অনেক দিন থেকে গরুর মাংস বিক্রি করে আসছি। গরুর জবাই করার জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় না।আগে পশু হাসপাতাল থেকে খোঁজ রাখলেও এখন আর কেউ খোঁজখবর রাখেন না।মাঝে মাঝে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে লোক এসে খোঁজ খবর নিত।
এবিষয়ে তানোর বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান পাপুল সরকার বলেন,পশু জবাই করার পূর্ব পর্যন্ত পশুটি সুস্থ কিনা,রোগাক্রান্ত কিনা,পশুটি গর্ভবর্তী কিনা,এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার দায়িত্ব উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বা চিকিৎসকের।
স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এর দায়িত্ব পশু জবাই এর পরবর্তীতে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বিক্রি হচ্ছে কিনা এবং ওজনের কারচুপি করছে কিনা এবিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া।মুন্ডুমালা বাজারের কয়েকজন বলেন,কখন গরু জবাই করে সেই রুগ্ন,গাভীন গরু দেখার সুযোগ নেই, তানোর উপজেলার স্যানেটারী ইন্সপেক্টর এন্তাজ আলী সাথে কথা বলে জানা যায় এ ধরনের কোনো অভিযোগ নেই,আর যদি পায় তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ওয়াজেদ আলী বলেন,আমরা যথাযথভাবে বাজার মনিটরিং করি। এবং বাজার মনিটরিং চলমান রয়েছে।


আরো খবর