• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী কলেজকে নোটিশ না দিয়েই আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নাটোর জেলার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার ফোর্স কমিটির নেতৃত্বে রুহুল- সৌরভ পাঁচবিবিতে শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন ইউসিআইসিএস ২০২৬ এর সমাপনী রাজশাহী কলেজ বিজনেস ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা রাজশাহীতে লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ বিজিবির অভিযানে ১০২০ পিস ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ২ বেগম খালেদ জিয়া জীবন দিয়ে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে গেছেন: মিলন শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য নির্দেশনা মানছে না রাজশাহী বিভাগের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহীতে এলপিজি সংকটে বন্ধ হচ্ছে হোটেল-রেস্তোরাঁ
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

চা দেশের মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা এনে দিতে সহায়তা করছে

রাজশাহী সংবাদ ডেস্ক
সর্বশেষ: মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪

Advertisements

চা দেশের মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা এনে দিতে সহায়তা করছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখন আমাদের চা চাষ বিভিন্ন এলাকায় চলে গেছে। যেখানে আমাদের সামান্য চা উৎপাদন হতো, সেখানে চা উৎপাদন এবং গ্রহণও বেড়েছে।

মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চল চায়ের যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে সেটাকে সম্প্রসারণ করা, যত্ন করা, কীভাবে আরো চা উৎপাদন বাড়ান যায় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এ ছাড়া চা বোর্ড, ক্ষুদ্র চাষিদের প্রযুক্তি সহায়তা, প্রণোদনা, সবদিক থেকে সরকার সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। পঞ্চগড়ের পাশাপাশি লালমনিরহাটেও চা বোর্ডের স্থায়ী অফিস নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, পঞ্চগড়ে আঙ্গিনায়ও চা হচ্ছে, তারা তরকারিও ফলায়, চায়ের গাছও লাগায়। চা আমাদের অর্থকরী ফসল হচ্ছে। যেটা দেশের মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা এনে দিতে সহায়তা করছে। চায়ের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে।

সরকারপ্রধান বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে চা অনেক প্রিয়। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, গ্রামে গ্রামে বিদ্যুৎ গেছে, সন্ধ্যার পরে সব চা দোকানে ভিড় করে বসে থাকে। আমাদের নিজেদের চায়ের চাহিদা বেড়ে গেছে। আমরা যা উৎপাদন করি তা রপ্তানির জন্য খুব বেশি একটা থাকে না। বাংলাদেশের মানুষ খুব বেশি চা খেতে পছন্দ করে।

তিনি আরো বলেন, ৯৬ সালে যখন সরকার গঠন করি তখন বিদ্যুৎ ছিল না। ৩/৪ ভাগ মানুষ শুধু বিদ্যুৎ পেতো। সেই সময় চা বাগানে যাতে উৎপাদন ব্যহৃত না হয়, শুধু চা বাগান নয়, আমাদের শিল্প কলকারখানা যাতে ভালো ভাবে চলে, তখন জেনারেটর উপর ট্যাক্স তুলে দিয়েছিলাম। যাতে সহজভাবে কিনতে পারে।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।


আরো খবর