• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী কলেজকে নোটিশ না দিয়েই আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নাটোর জেলার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার ফোর্স কমিটির নেতৃত্বে রুহুল- সৌরভ পাঁচবিবিতে শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন ইউসিআইসিএস ২০২৬ এর সমাপনী রাজশাহী কলেজ বিজনেস ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা রাজশাহীতে লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ বিজিবির অভিযানে ১০২০ পিস ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ২ বেগম খালেদ জিয়া জীবন দিয়ে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে গেছেন: মিলন শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য নির্দেশনা মানছে না রাজশাহী বিভাগের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহীতে এলপিজি সংকটে বন্ধ হচ্ছে হোটেল-রেস্তোরাঁ
নোটিশ
রাজশাহীতে আমরাই প্রথম পূর্ণঙ্গ ই-পেপারে। ভিজিট করুন epaper.rajshahisongbad.com

আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৪৪ পুকুর ইজারার তালিকায়

রিপোর্টার নাম:
সর্বশেষ: সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০২৪
আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৪৪ পুকুর ইজারার তালিকায়
আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৪৪ পুকুর ইজারার তালিকায়

Advertisements

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ইজারাযোগ্য ২ হাজার ৬৩৩টি পুকুরের তালিকা প্রকাশ করেছেন উপজেলা প্রশাসন। এসব পুকুরের মধ্যে বিভিন্ন সময় মামলা ও হাইকোর্টের নির্দেশে ৪৪টি পুকুর স্থিতিশীল অবস্থাতেই রাখার নির্দেশনা দিয়েছে আদালত। তবে, এই নির্দেশনা না মেনেই এসব পুকুর নতুন করে ইজারার জন্য ১৪৩১ থেকে ১৪৩৩ সালের ইজারার জন্য তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ১৪৩১ থেকে ১৪৩৩ সালের খাস পুকুর ইজারাযোগ্য তালিকা করা হয়েছে ২ হাজার ৬৩৩টি পুকুরের। এসব পুকুরের মধ্যে অন্তত ৪৪টি পুকুর রিট ও আদালতের নির্দেশে স্থিতিশিল রাখা আছে।
এর মধ্যে ছলং মোজার ০৪/২০২৩ মামলায় ১১টি পুকুর স্থিতিশীল রাখা হয়েছে। রিট নং ১০৪৫২/২৩ এ টেকদারি মল্লিকপুর মোজার ৩টি পুকুর, ১৯৪/১৭ মামলায় মাধোপুর মোজার ৩টি, ১৫৬/১৭ মামলায় আমতলি ও জোতফতু মৌজায় ৬টি, ৩২/২৩ মামলায় সাগুয়ান মৌজায় ৪টি, ৭৭/১৭ মোহাব্বতপুর মৌজায় ৭টি, ২৮/২৩ মামলায় পুড়াপাড়ায় ৪টি, ৩৫/২৩ মামলায় আদাড়পাড়ায় একটি ও ২৭/২৩ চরকপুর মৌজায় ৩টি পুকুর রয়েছে এছাড়াও একটি হাই কোটর্রে রিটে ২টি পুকুর স্থগিত রাখা আছে। এছাড়াও স্থিথিতি অবস্থায় থাকা ১৯ পুকুরে খাস আদায়ও করছেন তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মামলার বাদী বলেন, স্থিতি থাকা অবস্থায় তারা খাস আদায় করতে পারে না। এমনকি এটি ইজারাও দিতে পারে না। তারা জোর করেই এটি করছে।
তিনি বলেন, আমার কাছে সব কাগজ আছে। কোর্টের কপিও তাদের কাছে দিয়েছি। তারপরও তারা আবারো এসব পুকুর ইজারা ও খাস আদায়ের জন্য তালিকা করেছে।
এবিষয়ে গোদগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলাম বলেন, কোন পুকুর যদি আদালত স্থিতিশীল রাখে সেটি নতুন করে ইজারা দেওয়ার সুযোগ নাই। তবে কেন তালিকায় রাখা হয়েছে সেটি সম্পর্কে এ্যসি ল্যান্ড ভালো বলতে পারবে কারণ তার কাছেই কাগজগুলো থাকে।
এবিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) জাহিদ হাসান বলেন, আইনের বাহিরে কিছু করা যায় না। রিটে বা মামলায় যদি স্থিতিশীল থাকে তবে সেটি তালিকায় আসবে না। তবে খাস আদায় আইনে আছে সেটি করা যায়।


আরো খবর